ঢাকার বাইরে অবস্থিত সকল ভারতীয় উপ-দূতাবাস, ভিসা সেন্টার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধ এবং ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ছিন্নসহ ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ১৯ জুন রাজধানী ঢাকায় ‘আলোর মিছিল’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ আজাদ পার্টি। দলটির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই দিন ঢাকার মহাখালীর রাওয়া কনভেনশন হল থেকে গুলশান-২ নম্বরের ফেলানী এভিনিউ পর্যন্ত এই প্রতিবাদী মিছিলটি অনুষ্ঠিত হবে। দেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ভারতীয় আধিপত্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে।
![]() |
| এআই নির্মিত প্রতীকি ছবি |
দলটির পক্ষ থেকে প্রচারিত নীতি ও প্রচারপত্র অনুযায়ী, ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম প্রধান দাবি হলো—রাজধানীর বাইরে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থিত সকল ভারতীয় উপ-দূতাবাস, ভিসা সেন্টার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র অনতিবিলম্বে বন্ধ ঘোষণা করা। একই সাথে সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের বৈধ-অবৈধ বাণিজ্য ও চোরাকারবার বন্ধ করার পাশাপাশি বর্তমানে বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করার জোর দাবি জানিয়েছে দলটি। তারা মনে করে, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
বাংলাদেশ আজাদ পার্টি তাদের দাবিতে আরও উল্লেখ করেছে, দেশের অতীব সংবেদনশীল জাতীয় বিপর্যয়ের ঘটনা যেমন—বিডিআর হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং শরীফ ওসমান বিন হাদী হত্যাকাণ্ডে ভারতীয় সংশ্লিষ্টতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এসব জাতীয় ট্র্যাজেডির নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবেশী দেশ ভারতে বাংলাদেশের যাবতীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থগিত রাখার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানানো হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সুরক্ষায় এই দাবিগুলো অনতিবিলম্বে মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির নেতৃবৃন্দ।
