সরকারি তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে ঈদুল আজহা উপলক্ষে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি বাধার মুখে পড়লেও দমে যায়নি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, তিতুমীর কলেজ শাখা।
কলেজ প্রশাসন ও ছাত্রদলের বাধার কারণে ক্যাম্পাসের ভেতরে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দস্তরখান-ই-তিতুমীর’ কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব না হলেও, বিকল্প উপায়ে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাতে কুরবানির গোশত পৌঁছে দিয়েছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রতিকূলতাকে জয় করে মানবতার সেবায় তাদের এই কার্যক্রম সর্বমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কলেজ প্রশাসন ও ছাত্রদলের বাধার কারণে ক্যাম্পাসের ভেতরে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দস্তরখান-ই-তিতুমীর’ কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব না হলেও, বিকল্প উপায়ে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হাতে কুরবানির গোশত পৌঁছে দিয়েছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রতিকূলতাকে জয় করে মানবতার সেবায় তাদের এই কার্যক্রম সর্বমহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ঈদুল আজহা মুসলিম উম্মাহর নিকট ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই পবিত্র দিনে একে অপরের মাঝে আনন্দের অংশীদার হওয়া ইসলামের অন্যতম শিক্ষা। তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রশিবির পবিত্র এই দিনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরির লক্ষ্যে কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল। তবে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নানা সীমাবদ্ধতা এবং বাধার সম্মুখীন হওয়ায় মূল আয়োজনটি বাধাগ্রস্ত হয়।
তবে আদর্শিক শক্তিতে বলীয়ান ছাত্রশিবির কর্মীরা কোনো প্রতিকূলতাকেই অন্তরায় হিসেবে দেখেননি। তারা বিকল্প পন্থায় ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থী এবং কলেজ সংশ্লিষ্টদের হাতে কুরবানির গোশত তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। ইসলামী ছাত্রশিবিরের স্থানীয় দায়িত্বশীলরা জানান, বাধার মুখে কর্মসূচি স্থগিত করা হতে পারে, কিন্তু মানুষের সেবা করার মানসিকতাকে কোনো শক্তিই দমিয়ে রাখতে পারে না। তাদের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, সংগঠনটি কেবল রাজনৈতিক আদর্শের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আর্তমানবতার সেবায় তারা সবসময় অঙ্গীকারাবদ্ধ।
শিক্ষার্থীদের একাংশ জানান, ক্যাম্পাসে এমন প্রতিকূল পরিবেশেও ছাত্রশিবিরের এই মানবিক উদ্যোগ ঈদুল আজহার মূল ভাবগাম্ভীর্যকে ফুটিয়ে তুলেছে। মূলত, তিতুমীর কলেজে ছাত্রশিবিরের এই মানবিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও মানুষের বিপদে-আপদে এবং উৎসবের দিনগুলোতে পাশে দাঁড়ানোর এই সংস্কৃতিই একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনের মূল ভিত্তি। তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের এই ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও বজায় থাকবে বলে প্রত্যাশা করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
