ব্রেকিং নিউজ
লোডিং হচ্ছে...

ঢাকা-ওয়াশিংটন নতুন দিগন্ত: ট্রাম্পের চিঠিতে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা চুক্তির আহ্বান

বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তারেক রহমানকে একটি বিশেষ চিঠি পাঠিয়েছেন কারণ তিনি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় পেয়েছেন। ১৮ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউস থেকে এই বার্তা পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের এক্স হ্যান্ডলে এই চিঠির কথা প্রকাশ করেছে। ট্রাম্প নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদের সফলতা কামনা করেছেন। তাই এই ঘটনাকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঢাকা-ওয়াশিংটন নতুন দিগন্ত: ট্রাম্পের চিঠিতে বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা চুক্তির আহ্বান

বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্প দুই দেশের অংশীদারত্বকে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর ভিত্তি করে গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন একটি মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। তাই আগের বাণিজ্য চুক্তিগুলো দ্রুত কার্যকর করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চেয়েছেন। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের কৃষক ও শ্রমিকেরা লাভবান হবেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মনে করেন বাণিজ্যিক সম্পর্কের গতি ধরে রাখা উভয়ের জন্যই মঙ্গলের।

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্প।

প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। কারণ এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ আমেরিকার তৈরি অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ পাবে। ট্রাম্প মনে করেন এতে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী আরও শক্তিশালী হবে। শক্তিশালী ও সার্বভৌম দেশগুলোর সমৃদ্ধিই এখন যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য। তাই নিরাপত্তার খাতিরে এই নতুন সমীকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে উঁচুতে নিতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্পের মতে একসঙ্গে কাজ করলে উভয় জাতি আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ হবে। বরং বিচ্ছিন্ন থাকার চেয়ে সহযোগিতার হাত বাড়ানোই এখন বুদ্ধিমানের কাজ। চিঠির শেষে তিনি তারেক রহমানের আগামী দিনগুলোর জন্য শুভকামনা জানান।

কূটনৈতিক মহলে এই চিঠির গুরুত্ব অপরিসীম।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন এই আহ্বান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। কারণ বড় শক্তির দেশগুলোর সাথে ভারসাম্য রক্ষা করা একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে। অন্যদিকে বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়ন দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে। তাই সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন সবার নজর।

শেয়ার করুন:

নামাজের সময় (ঢাকা)
লোড হচ্ছে...