বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উত্তরা পূর্ব থানার উদ্যোগে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে “কোরআন অধ্যয়ন প্রতিযোগিতা-২০২৬”-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
![]() |
| অতিথিদের সাথে পুরস্কার পেলেন যারা |
গতকাল শনিবার (১৬ মে) বাদ মাগরিব উত্তরার সী-শেল পার্টি সেন্টারে এই মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পবিত্র মাহে রমজানে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় উত্তরার বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্য থেকে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী ৩০ জন বিজয়ীর হাতে মূল্যবান পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উত্তরা পূর্ব থানা আমীর ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিশে শুরা সদস্য মাহফুজুর রহমান। থানা সেক্রেটারি আতিকুর রহমানের সুনিপুণ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক, নাগরিক উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন নৈতিক সমাজ গঠনে আল-কুরআনের অপরিসীম গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, "পবিত্র কুরআনের শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি। বর্তমান অবক্ষয়মুখী সমাজে নতুন প্রজন্মকে সঠিক পথের দিশা দিতে এবং তাদের কুরআনের আলোয় আলোকিত করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখবে।" তিনি তরুণ সমাজকে ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন উত্তরা পশ্চিম জোনের পরিচালক ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, উত্তরা পশ্চিম জোনের সহকারী পরিচালক ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের মজলিশে শুরা সদস্য মাহবুবুল আলম মুকুল এবং শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ আশরাফুল হক।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১নং ওয়ার্ডের জামায়াত সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মাহফুজুর রহমান, উত্তরা মডেল থানা আমীর ইব্রাহিম খলিল এবং থানা নায়েবে আমীর সুলতান আহমেদ। এছাড়া স্থানীয় থানা, ওয়ার্ড ও বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, প্রতিযোগীদের অভিভাবক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আগত বিশিষ্ট বক্তারা পবিত্র কুরআনের শ্বাশত শিক্ষাকে দৈনন্দিন ও ব্যক্তি জীবনে ধারণ করার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। একই সাথে সমাজে শান্তি, শৃঙ্খলা ও উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় পবিত্র গ্রন্থ আল-কুরআনের চর্চা আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
