ব্রেকিং নিউজ
লোডিং হচ্ছে...

নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী

সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ ও দক্ষ আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী দেশের পরবর্তী অ্যাটর্নি জেনারেল হতে যাচ্ছেন। কারণ আইন মন্ত্রণালয় আজ সোমবার এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করতে পারে বলে বিশেষ সূত্রে জানা গেছে। বিদায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূন্য ছিল। তাই বিচার বিভাগের শীর্ষ এই পদে একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের আগমনে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্কের মতোই দেশের আইনি কাঠামোতেও এখন এক শক্তিশালী নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটছে।

নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাচ্ছেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী

পারিবারিক ঐতিহ্য ও গৌরবময় উত্তরাধিকার

ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী এক ঐতিহ্যবাহী সংগ্রামী পরিবারের সন্তান। কারণ তার বাবা প্রয়াত আব্দুর রউফ চৌধুরী ছিলেন একজন ভাষা সৈনিক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক। এই পারিবারিক পটভূমি তাকে দেশপ্রেম ও ন্যায়বিচারের আদর্শে উজ্জীবিত করেছে। তাই তার নিয়োগকে আইনি অঙ্গনের অনেকেই মেধা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন হিসেবে দেখছেন। তিনি কেবল একজন আইনজীবী নন, বরং একটি ঐতিহাসিক চেতনার বাহক হিসেবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনি কর্মকর্তার দায়িত্ব নিচ্ছেন।

বর্ণাঢ্য শিক্ষাজীবন ও উচ্চতর ডিগ্রি

কুষ্টিয়া জিলা স্কুল থেকে নটরডেম কলেজ হয়ে লন্ডনের লিংকনস ইন পর্যন্ত বিস্তৃত তার শিক্ষাজীবন। কারণ তিনি দেশ ও বিদেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আইন বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞান অর্জন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করার পর তিনি যুক্তরাজ্য থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। এই বিশাল অ্যাকাডেমিক সাফল্য তাকে জটিল আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় দক্ষ করে তুলেছে। তাই আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে তার এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা বিশেষভাবে সহায়ক হবে।

সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও আগামীর অঙ্গীকার

আইনের শাসন এবং বিচারপ্রার্থী মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই রাগিব রউফ চৌধুরীর মূল লক্ষ্য। কারণ তিনি দীর্ঘকাল ধরে সুপ্রিম কোর্টে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইনি লড়াইগুলোতে পেশাদারিত্বের পরিচয় দেবেন বলে বেইজিং বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা প্রত্যাশা করতেই পারে। যেহেতু বর্তমান সরকার একটি স্বচ্ছ বিচারব্যবস্থা গড়তে চায়, তাই তার নিয়োগ সেই লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে। তিনি এখন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে এক নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত।

শেয়ার করুন:

নামাজের সময় (ঢাকা)
লোড হচ্ছে...