ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকরা আজ থেকে তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানপত্র জমা দেন কারণ শহরগুলোর নাগরিক সেবা গতিশীল করা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে এই যোগদানপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল যেহেতু এটি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। বরং এই পরিবর্তনের ফলে স্থবির হয়ে থাকা উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আবারও প্রাণ ফিরে পাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। মন্ত্রী মহোদয় নবনিযুক্ত প্রশাসকদের সততার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান যাতে সাধারণ মানুষ দ্রুত সুফল পায়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নিরাপত্তা আলোচনা
যোগদান শেষে নতুন প্রশাসকরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে তার দপ্তরে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। মন্ত্রণালয়ের অফিসে আয়োজিত এই বৈঠকে মূলত শহরের আইনশৃঙ্খলা ও অবৈধ দখল উচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে পুলিশের সহায়তা প্রয়োজন হয় বিধায় এই সাক্ষাৎ অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। মন্ত্রী মহোদয় তাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন কারণ নিরাপদ শহর গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। প্রশাসকরাও তাদের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত ধারণা দেন আর তাই সভায় একটি ইতিবাচক পরিবেশ বিরাজ করছিল।
দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসকদের তালিকা ও আগামীর প্রত্যাশা
ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তরসহ গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি সিটিতে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দায়িত্ব প্রদান করেছে বর্তমান সরকার। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. আব্দুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের হাল ধরেছেন মো. শফিকুল ইসলাম খান। অন্যদিকে খুলনা সিটিতে নজরুল ইসলাম মঞ্জু এবং সিলেটে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে নারায়ণগঞ্জে এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান এবং গাজীপুরে মো. শওকত হোসেন সরকার দায়িত্বভার বুঝে নিয়েছেন। নাগরিক সমাজ মনে করে যে এই নতুন নেতৃত্ব শহরগুলোর জটলা নিরসনে জাদুর মতো কাজ করবে। তবে চ্যালেঞ্জগুলো অনেক বড় হওয়ার কারণে তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ হবে বেশ পর্যবেক্ষণাধীন।
