বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক নতুন ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন। কারণ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে হাঁটছে। সোমবার সকালে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাই তিনি বিশ্বাস করেন যে, তারেক রহমান অতি অল্প সময়েই দেশের আপামর জনসাধারণের হৃদয়ে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। বেইজিং বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক শক্তির সমর্থনের চেয়েও জনগণের আস্থাকেই তিনি বড় করে দেখছেন।
শহীদ জিয়ার আদর্শ ও নতুন সরকারের লক্ষ্য
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। কারণ তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই নতুন মন্ত্রিসভা দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অতীতের চেয়ে এখন অনেক বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত। তাই অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দেশের মানুষ এই দলের পাশে থেকে সহযোগিতা করবে বলে তিনি মনে করেন। বেইজিংয়ের সাথে সম্পর্কের মতোই অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এক নতুন উচ্চতা অর্জনের স্বপ্ন দেখছে দলটি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও সংরক্ষিত নারী আসন
সঠিক সময়ে এবং নিয়ম মেনেই সারা দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে মন্ত্রণালয়। কারণ অনেক জায়গায় পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নির্বাচন আয়োজন করা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী হিসেবে মির্জা ফখরুল জানান, সব বিষয় পর্যালোচনা করে দ্রুতই একটি নির্বাচনী রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। অন্যদিকে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রে যারা দলের দুর্দিনে পাশে ছিলেন, তাদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কারণ দলের প্রতি আনুগত্য এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকেই প্রার্থী বাছাইয়ের প্রধান শর্ত হিসেবে ধরা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আইনি অবস্থান
নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের অফিস খোলার কোনো সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মির্জা ফখরুল। কারণ আইনগতভাবে তাদের সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বর্তমানে দেশে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, যারা আইন অমান্য করে অফিস খোলার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাই পতিত স্বৈরাচারের কোনো পুনরুত্থান দেশের মানুষ মেনে নেবে না বলে তিনি সতর্ক করে দেন। সরকারের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার, কোনোভাবেই আইনের লঙ্ঘন বরদাশত করা হবে না।
