ব্রেকিং নিউজ
লোডিং হচ্ছে...

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত: ১৮০ দিনের পরিকল্পনা ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়। বৈঠকে সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং বিভিন্ন দপ্তরের সচিবরা অংশ নেন। নতুন সরকার গঠনের পর এটিই ছিল মন্ত্রিসভার নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক জমায়েত।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত: ১৮০ দিনের পরিকল্পনা ঘোষণা

১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্যের কথা জানান। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার শুরুতেই ১৮০ দিনের একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা আনাই এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, খুব শীঘ্রই এই পরিকল্পনার বিস্তারিত রূপরেখা জনগণের সামনে প্রকাশ করা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "গত নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের ওপর দেশের মানুষ রায় দিয়েছে। জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাই আমাদের প্রধান কাজ। প্রধানমন্ত্রী আজ সচিবদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে ইশতেহারের প্রতিটি প্রতিশ্রুতি গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হয়।"

রমজানে দ্রব্যমূল্য ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি

বৈঠকের আলোচনা নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, "রোজাদারদের সুবিধার্থে সেহরি ও ইফতারের সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জনদুর্ভোগ কমাতে কোনো ধরনের অজুহাত সহ্য করা হবে না বলে তিনি সতর্ক করেছেন।"

দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রশাসন

বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা জানান, প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করার কঠোর বার্তা দিয়েছেন সরকারপ্রধান। তারেক রহমান স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রিসভার সদস্যরা জানান, প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে জনগণের স্বার্থে কাজ করার এবং সেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনোভাবেই যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। নতুন এই যাত্রায় জনবান্ধব ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয় বৈঠকে।

শেয়ার করুন:

নামাজের সময় (ঢাকা)
লোড হচ্ছে...