নাটোরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক অসুস্থ শিশুর মাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের জঘন্য অভিযোগ উঠেছে তিন হিন্দু যুবকের বিরুদ্ধে।
![]() |
| প্রতিকী ছবি |
হাসপাতালের অভ্যন্তরেই ঘটে যাওয়া এই বর্বরোচিত ঘটনাটি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সাধারণ নাগরিকদের, বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি এই চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসারত সন্তানের শয্যাপাশ থেকে ডেকে নিয়ে ওই জননীকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়, যা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির করুন হাল এবং সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের এক চরম বহিঃপ্রকাশ।
অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ার কারণেই দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রগুলোতেও এখন মায়েরা নিরাপদ নন বলে মনে করছেন বিশিষ্ট সমাজচিন্তক ও ওলামায়ে কেরাম। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতি এবং সামাজিক মর্যাদাকে তোয়াক্কা না করে সরকারি হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই শিথিলতা সাধারণ মানুষকে স্তম্ভিত করেছে। ভুক্তভোগী পরিবার অবিলম্বে এই ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশের প্রশাসন, সরকারি দপ্তর, স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর অতি-প্রতিনিধিত্ব ও প্রভাব নিয়ে সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে গভীর অসন্তোষ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের অভিযোগ, জনসংখ্যার আনুপাতিক হারের চেয়েও বহুগুণ বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দিয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর ফলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সমাজ আজ নিজ দেশেই এক প্রকার প্রশাসনিক ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে।
অন্য এক রাজনৈতিক প্রসঙ্গে, চট্টগ্রামের একজন প্রভাবশালী নেতা তথা বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক ও অর্থমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত একটি ধর্মীয় সংগঠন (ইসকন) এবং প্রতিবেশী দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সাথে অতি-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠেছে। দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বকে উপূরীক্ষা করে বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়ন এবং বিতর্কিত সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতা করার এই প্রচেষ্টাকে দেশের তৌহিদী জনতা ও রক্ষণশীল রাজনৈতিক দলগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সরকারি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে এই ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি দেশের সার্বভৌমত্ব ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকিস্বরূপ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
