আদর্শিক লড়াইয়ে ব্যর্থ হয়েই জামায়াতের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে দলটিকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলেছে। জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান সামাজিক মাধ্যমে এই অভিযোগ করেন। তিনি মনে করেন, আদালতের অপব্যবহার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোরতা ছিল উদ্দেশ্যমূলক। তাই মিডিয়ার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট নেতিবাচক ন্যারেটিভ বা বয়ান তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল। যদিও সত্য শেষ পর্যন্ত মানুষের সামনে প্রকাশিত হয়েছে।
![]() |
| জামায়াতের সংসদ সদস্যবৃন্দ |
গণতন্ত্রে সাধারণ মানুষের রায়ই হলো সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস। কারণ বাংলাদেশের মানুষ স্পষ্টভাবেই তাদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন। রফিকুল ইসলাম খান দাবি করেন যে, প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষের সমর্থন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। বরং এটি দীর্ঘদিনের বিশ্বাস, আস্থা এবং মানুষের গভীর প্রত্যাশার একটি প্রতিফলন। তাই এই বিপুল সমর্থন প্রমাণ করে যে অপপ্রচার চালিয়ে সত্য ঢাকা যায় না। বরং এটি দলের ভিত্তি আরও মজবুত করেছে।
জেনারেশন Z এবং আগামীর রাজনীতি
ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়তে হলে ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল রাজনীতি প্রয়োজন। কারণ বর্তমান সময়টি মূলত জেনারেশন Z বা নতুন প্রজন্মের তরুণদের। এই তরুণ সমাজ পুরোনো দিনের বিভাজন কিংবা ভয়ের রাজনীতি একদমই পছন্দ করে না। বরং তারা চায় স্বচ্ছতা, নীতির স্পষ্টতা এবং প্রকৃত বাস্তবধর্মী কাজ। তাই সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে দেশ গড়া উচিত। জেনারেশন Z এর এই চাহিদা পূরণ করাই এখনকার বড় চ্যালেঞ্জ।
