ব্রেকিং নিউজ
লোডিং হচ্ছে...

খামেনি হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল বায়তুল মোকাররম: জামায়াতের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল

খামেনির হত্যাকাণ্ডে ক্ষুব্ধ জনতা

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা ও তাঁর শাহাদাতের সংবাদে ঢাকা আজ উত্তাল। কারণ আজ ১ মার্চ ২০২৬, রবিবার বিকেলে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। ইসলামি বিশ্বের একজন প্রভাবশালী নেতাকে হারানোর শোকে সাধারণ মানুষ সেখানে সমবেত হয়। তাই হাজার হাজার নেতাকর্মীর স্লোগানে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। ক্ষোভের এই আগুন যেন পুরো রাজধানীর রাজপথে ছড়িয়ে পড়েছিল।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

প্রধান অতিথির হুঁশিয়ারি

এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি এই কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানান। যেহেতু তিনি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর, তাই তাঁর বক্তব্যে ছিল আপসহীন সংগ্রামের ডাক। তিনি বলেন যে এই হত্যাকাণ্ড কেবল একজন ব্যক্তির মৃত্যু নয় বরং এটি উম্মাহর হৃদয়ে আঘাত। সুতরাং ঘাতক চক্রকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে। তিনি আরও বলেন যে কোনো ষড়যন্ত্রই ইসলামি জাগরণকে থামিয়ে রাখতে পারবে না। বরং প্রতিটি ফোটা রক্ত থেকে হাজারো মুজাহিদ জন্ম নেবে।

বিশেষ অতিথিদের বক্তব্য

বিশেষ অতিথিরা এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন যে মুসলিম নেতাদের বেছে বেছে হত্যা করা হচ্ছে। তাই বিশ্ব মুসলিমকে আজ ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। অন্যদিকে অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ প্রচার করেন যে ন্যায়বিচারের দাবি আজ আকাশছোঁয়া। নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন মিছিলে নেতৃত্ব দেন। কারণ তাঁরা মনে করেন যে রাজপথই হচ্ছে দাবি আদায়ের একমাত্র পথ।

মিছিলের সমাপ্তি ও সংহতি

বিক্ষোভ মিছিলটি বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড় প্রদক্ষিণ করে। অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে বিশ্বব্যাপী ইসলামভীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। মিছিলটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ কিন্তু তেজোদীপ্ত ছিল। পরিশেষে মোনাজাতের মাধ্যমে নিহত নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। বিশ্ব উম্মাহর শান্তি ও সংহতির আহ্বান জানিয়ে সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।

শেয়ার করুন:

নামাজের সময় (ঢাকা)
লোড হচ্ছে...