ব্রেকিং নিউজ
লোডিং হচ্ছে...

একুশের প্রথম প্রহরে ভিন্ন চিত্র: শহীদ মিনারে প্রথমবার দোয়ার আয়োজন

রাষ্ট্রপতির সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি

একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। কারণ, ভাষা শহীদদের স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। তাই, রাত ১২টা বাজার কিছুক্ষণ আগেই তিনি সেখানে পৌঁছান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান তাকে অভ্যর্থনা জানান। বরং, এটি একটি প্রচলিত রাষ্ট্রীয় প্রথা। তবে, তিনি সেখানে মাত্র পাঁচ-ছয় মিনিট অবস্থান করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পরেই তিনি ফিরে যান।

একুশের প্রথম প্রহরে ভিন্ন চিত্র: শহীদ মিনারে প্রথমবার দোয়ার আয়োজন

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও নতুন রীতি

রাষ্ট্রপতির গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেখানে পৌঁছান। সুতরাং, তার সাদা এসইউভি শহীদ মিনার এলাকায় প্রবেশ করে। এরপর তিনি শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তবে, এবার একটি সম্পূর্ণ নতুন রীতির সূচনা দেখা গেল। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সেখানে দোয়ার আয়োজন করা হয়। ভাষা শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় আয়োজনে এটিই প্রথম দোয়া। তাই, এটি অনেকের কাছেই একটি বড় চমক ছিল।

শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা

দোয়ার বিস্তারিত বিবরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতীব নাজির মাহমুদ এই দোয়া পরিচালনা করেন। তাই, তিনি উপস্থিত সকলকে পশ্চিম দিকে মুখ করে দাঁড়াতে বলেন। কারণ, মোনাজাতের জন্য কিবলার দিকটিই নির্দিষ্ট। দোয়ায় ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের স্মরণ করা হয়। পাশাপাশি, নব্বইয়ের গণআন্দোলন এবং ২৪-এর গণআন্দোলনের শহীদরাও বাদ যাননি। সুতরাং, সব মিলিয়ে এটি ছিল একটি সর্বজনীন প্রার্থনা। যেন এক সুতোয় গাঁথা হলো দেশের সব ত্যাগের ইতিহাস।

বিরোধীদলীয় নেতার ব্যতিক্রমী উপস্থিতি

জামায়াত আমিরের প্রথমবার শ্রদ্ধা

সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে এবার প্রথম শহীদ মিনারে ফুল দিলেন শফিকুর রহমান। যদিও তিনি জামায়াতে ইসলামীর আমির, এবার তার ভূমিকা ভিন্ন। তাই, এই ঘটনা রাজনীতির মাঠে একটি নতুন বাতাস এনেছে। সেখানে তিনিও ১১ দলীয় জোটের নেতাদের নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। বরং, তারা আলাদাভাবে শহীদদের জন্য মোনাজাত করেন। কারণ, রাজনীতিতে এখন অনেক কিছুই নতুন করে লেখা হচ্ছে। ঠিক যেমন পুরনো ক্যানভাসে পড়ছে নতুন রঙের আঁচড়।

শেয়ার করুন:

নামাজের সময় (ঢাকা)
লোড হচ্ছে...